আমরা যাকে বলে কাঠবাঙাল। পুরো বাইশ ক্যারেট। মা সিলেট, বাবা রংপুর। রংপুরের রান্না নিয়ে অন্যদিন বলবো। আজ বরং গন্ধ বিধুর সমীরণে শুটকি মাছের কথা বলি।
অসহিষ্ণুতা নিয়ে যদি কথা ওঠে, এই মাছ বাদ যাবে কেন? পক্ষ আর বিপক্ষ বাদ দিয়ে এই বিষয়ে তৃতীয় পক্ষ খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল। এক দল শুটকির নাম শুনলেই একরাশ বিরক্তিতে মুখ ভেটকায়, অন্যদল ঠিক ততটাই আনন্দে পরবর্তী কর্মপন্থা স্থির করে।
মাসতুতো দাদার বিয়ে মিটলে বাড়ির একজন বললেন অনেকদিন মাছ মাংস খেয়ে অরুচি হয়েছে। দুপুর বেলা সেদিন চালকুমড়ো পাতায় মুড়ে শুটকি মাছ হলো। জিভ ফিরে এল স্বমহিমায়।
অসহিষ্ণুতা নিয়ে যদি কথা ওঠে, এই মাছ বাদ যাবে কেন? পক্ষ আর বিপক্ষ বাদ দিয়ে এই বিষয়ে তৃতীয় পক্ষ খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল। এক দল শুটকির নাম শুনলেই একরাশ বিরক্তিতে মুখ ভেটকায়, অন্যদল ঠিক ততটাই আনন্দে পরবর্তী কর্মপন্থা স্থির করে।
মাসতুতো দাদার বিয়ে মিটলে বাড়ির একজন বললেন অনেকদিন মাছ মাংস খেয়ে অরুচি হয়েছে। দুপুর বেলা সেদিন চালকুমড়ো পাতায় মুড়ে শুটকি মাছ হলো। জিভ ফিরে এল স্বমহিমায়।
তেজপুরে মামাবাড়িতে খেয়েছিলাম সিদল শুটকি। বহু সাধনা করে তবে সে জিনিস জোটে। যে জানে সে জানে।
সন্তোষপুরের মেসে মালিক শুটকি রান্না করতে বারণ করতেন। আমরা ওভেনের পাশে একটা মোম জ্বেলে রাখতাম। সেভাবে গন্ধ উপস্থিতি জানান দিতো না।
সাদা ভাত, মুসুর ডাল আর পাতের কোণে লোটে মাছের চাটনি। হলদে বালবের আলো মেখে মাটিতে বাবু হয়ে বসে একদল মেসশাবক খেয়ে চলেছে একমনে.... প্রতি রবিবারে মাংস না খাওয়ার দু:খ তাদের ছিল না। কেবল তারা ভাবতো এরপর দিন আলু কম দিয়ে মাছ টা বেশি দিতে হবে।
No comments:
Post a Comment