Saturday, 22 April 2017

সমুদ্রের কবিতা : কবিতার সমুদ্র


পৃথিবীর তিনভাগ জল আর একভাগ স্থল। আমাদের প্রাথমিক ভূগোলবোধ জল বাদ দিয়ে নয়। আমাদের অস্তিত্বের বোধে সমুদ্র অনিবার্য। বাংলার মানচিত্রে তার নাম বঙ্গোপসাগর। “সাহিত্যে, বাংলা সাহিত্যেও, সমুদ্রকে পেয়ে যাই- কখনো কম কখনো বেশি। কিন্তু তবু, না মেনে পারি না, সব-মিলিয়ে বাঙালির মনে সমুদ্রের খুব- একটা জায়গা নেই।” আলোচ্য ‘সমুদ্রের কবিতা’ সংকলনের ভূমিকায় অরুণ সেন- এর মন্তব্যটিকে স্বীকার করতেই হয়। সমুদ্র নিয়ে কবিতার এই সংকলনের ভাবনাবিন্যাসে পূর্ণেন্দু পত্রীর সশ্রদ্ধ উল্লেখ করেছেন সম্পাদক। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধকাব্য’-এর প্রথম সর্গের অংশবিশেষ দিয়ে শুরু হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমুদ্র’, ‘জন্মদিনে ৯’, সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ‘ অন্ধকারে সমুদ্রের প্রতি’, নজরুল ইসলামের ‘সিন্ধু’, জীবনানন্দ দাশের ‘সিন্ধুসারস’, ‘জুহু’, সুধীন্দ্রনাথ দত্তের ‘উন্মার্গ’, অমিয় চক্রবর্তীর ‘সমুদ্র’ প্রভৃতি কবিতা ঠাঁই পেয়েছে এই বই-এ। সম্পাদকের দীর্ঘ ভূমিকা এই বই-এর বিশেষ সম্বল। অরুণ সেন লিখছেন-- “বাংলা ভাষায় রচিত সমুদ্রকবিতার সেই পরম্পরাকে এখানে ধরা হল এমন নয়, কিন্তু সমুদ্রের মতো যে-কোনো প্রাকৃতিক বিষয়কে ধরেই যে কবিতা ও ইতিহাসের সম্পর্কের নানা সত্যকেই খুঁজতে শুরু করা যায়- তার একটা নমুনা পাওয়া যাবে হয়ত। ’’ কবির আত্মসচেতন এবং অবচেতনের অবিরত ঈশারায় সমুদ্র যে বিস্তার নিয়ে হাজির হয়, আক্ষরিক অর্থেই ডুবে যাওয়া ছাড়া আর উপায় থাকে না!

সমুদ্রের স্বাদ আমাদের রক্তে। আপনাকে এই জানতে চেয়েই আমরা হয়ত নীলের কাছাকাছি-‘সিন্ধুসারস’ কবিতায় যেমন লিখছেন জীবনানন্দ-- “তুমি তাহা কোনোদিন জানিবে না; সমুদ্রের নীল জানালায়/ আমারই শৈশব আজ আমারেই আনন্দ জানায়।’’  সোমেন পালিত অবশ্য জুহুর সমুদ্রপারে কিছুটা স্তব্ধতা ভিক্ষা করেছিল। ‘সমুদ্রঃ ছিন্ন চরণ’ অংশে বিনয় মজুমদারের কবিতার খসড়া মনে পড়ে-- “যখন সমুদ্রজলে একটি গিটার ভেসে চলেছে এখন/ যখন সকলে ডুবে নিশ্চিহ্ন হয়েছে সব হারিয়ে গিয়েছে/ তখন সমুদ্রজলে একটি গিটার ভেসে ভেসে চলছে এখন...’’ গিটারের চলনে হৃদয়ের দ্বার খুলে যায় কি? কবির অন্তঃপ্রেরণার সঙ্গে সমুদ্রের অনিবার্য যোগাযোগ নিত্য নতুন অভিমুখ খুলে দেয় জীবন, সম্পর্কের? ‘ সমুদ্র হবার অভিলাষ’ কবিতায় বীরেন্দ্রনাথ রক্ষিত লিখেছেন যেমন- “… পরস্পরের ঢেউ হয়ে, সমুদ্র হবার অভিলাষে/ একদিন/ নিঃসঙ্গ হয়েছিলাম সকলের ব্যক্তিগত বোধে।… ’’ যে কোনও বড় কিছুর সামনে দাঁড়ালে নিজেকে অ-সামান্য লাগে। অস্মিতার বোধে ঢেউ এর পর ঢেউ এসে কাঁদায়, হাসায়, ভালোবাসায়। চেনা সম্পর্কের পৃথিবীতে নোনা বাতাস লাগে। অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত ‘গার্হস্থ্য সমুদ্র একাকার’ কবিতার শেষে দেখি-- “আমরা দাঁড়িয়ে থাকি আমাদের দু-মুঠি সংসারে/ সম্বল বলতে শুধু কোলকাতা যাবার ভিসা’’, জাগ্রত চন্দনেশ্বর দেবতার মন্দিরে না গিয়েও কবি মনে লেগে থাকে এক অদ্ভুত সুগন্ধ- মৌতাত! আর  রোম্যান্টিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘ দেখা হবে’ কবিতার তুমুল উচ্চারণ করছেন - “… কিছু না বলার ভাষা, গরম ওষ্ঠের শিলালেখ/ ঠিক সে সময়/ রাত্রির সমুদ্র হবে সশরীর রাত্রির সমুদ্র/ হবে, দেখা হবে।’’ ‘দেখা হবে’ শব্দবন্ধটি অবিরত ঘুরে ফিরে আসে। ধ্রুবপদের মত। সার্থক কবিতা চিনে পাঠকের কাছে বিষয় অনুযায়ী বিন্যস্ত করে পরিবেশন করা সহজ কাজ নয়। আরেকটি কথা কোনো সংকলনই সম্পূর্ণ নয়, না হওয়াই স্বাভাবিক। সমগ্রতার আদল পাঠকের মনের মধ্যে নিজের মত করে যদি তৈরি করে দিতে পারেন সম্পাদক, তবে শূন্য পরিসর পূর্ণ হবে সহজ সুরেই সন্দেহ নেই।

আমাদের দেখা-না-দেখায় মেশা সমুদ্র দর্শনে নারীদের কবিতা যে অন্যমাত্রা রাখবে, তা বলা বাহুল্য। নবনীতা দেব সেন লিখছেন ‘গঙ্গাসাগর’ কবিতায়-- “ তুমি মোহনায় থেকো/ আমি মোহনার দিকে যাই।’’ মল্লিকা সেনগুপ্তের ‘জাহাজডুবি’ কবিতার অংশ উদ্ধৃত করছি- “ আমি কি জানতাম সারাটা রাত ধরে অতটা যেতে পারে শৃঙ্গার!/ নরম একটুও হল না অনুনয়ে, জাহাজে শুধু দোলা লাগল’’- কী অসামান্য চিত্রকল্প। সমুদ্রের কবিতায় শরীর আসছে, শৃঙ্গার আসছে। আবার ঝিনুকে ঠোঁট কেটে খোলা সংসারের গল্প পাচ্ছি চৈতালী চট্টোপাধ্যায়ের ‘গোয়েন্দা কবিতা’য়- “ যে-সব শরীরে একবার সমুদ্র ঢুকেছে, তারা/ সুইসাইডাল নোট লিখে রেখে যেতে আর সময় পায়নি।’’ প্রেম আর মৃত্যুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানি আমরা। সিদ্ধেশ্বর সেনের ‘প্রকৃতি-পুরুষ’ কবিতায় সমুদ্র এসেছে সৃষ্টির আদিকল্পে। ‘শুধু রাতের শব্দ নয়’ কবিতায় শেষ সমুদ্রে যাত্রার আয়োজনে আশার অমরত্ব ঘোষণা করলেন কবি অরুণ মিত্র। আর এভাবেই সমুদ্র হয়ে উঠেছে জীবন সঙ্গীত।   

পার্থপ্রতিম কাঞ্জিলালের একটি পংক্তি মনে রাখবার মতো-- ‘… প্রত্যাশা হল সমুদ্রের অন্তহীন ফেনা।…’ আমাদের বেঁচে থাকা নতুন এক অর্থের মুখোমুখি হয়। সবিনয়ে জানাতে চাই, সাম্প্রতিক সময়ে অনুনয় চট্টোপাধ্যায় ও উর্বী মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় দে’জ পাবলিশিং থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘ বাংলা সাহিত্যে সমুদ্র’ শীর্ষক আলোচনা গ্রন্থটি। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় সমুদ্রের উপস্থিতিকে নতুনভাবে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন উৎসুক পাঠকেরা। আমাদের কবিতার সমুদ্রে বুদ্ধদেব বসুর ‘সমুদ্রস্নান’ কবিতার অংশবিশেষ দিয়েই ইতি টানি সহজপাঠের-  “একবার নিজেকে দাও না সমুদ্রের কাছে/ তারপর দ্যাখো সে তোমাকে নিয়ে কী করে।’’

                                    ……………

সমুদ্রের কবিতা

অরুণ সেন সম্পাদিত

প্রতিক্ষণ

প্রথম প্রকাশ- জানুয়ারি ১৯৮৮

নতুন পর্যায়ের প্রথম সংস্করণ

জানুয়ারি ২০১৭

প্রচ্ছদ ও অলংকরণ- পূর্ণেন্দু পত্রী

মূল্য- ৯০ টাকা

  

Saturday, 8 April 2017

র‍্যাঁবোর কবিতাঃ অভিশপ্ত ইস্তাহার

অনুবাদে কবিতার রস অক্ষুণ্ণ থাকে কিনা এ নিয়ে তর্ক চলতেই পারে তবে সাহিত্যের রসজ্ঞ পাঠকেরা সার্থক অনুবাদের জন্য যে অপেক্ষা করে থাকেন তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না ‘র‍্যাঁবো উন্মাদ সৌরকণা’ বইটি কয়েকদিন ধরে পড়ছিলাম। র‍্যাঁবোর কবিতার অনুবাদ করেছেন গৌতম গুহ রায়। জানিয়ে রাখা ভালো অনুবাদক নিজেও একজন কবি।

১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের এক সীমান্ত শহর শার্লভিলে জাঁ আর্তুর র‍্যাঁবো জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন। মা গ্রামের কৃষককন্যা। শৈশব থেকে রূঢ় বাস্তবের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। ‘জাঁ আর্তুর র‍্যাঁবোঃ উন্মাদ সৌরকণা’ ও ‘জীবনপঞ্জী’ শীর্ষক দুটি লেখা এই বই-এর কবিতাগুলির  শেষে যুক্ত হয়েছে, কবির জীবনচরিতে প্রবেশের পক্ষে এই লেখাদুটি সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এই সূত্রেই বলে রাখি, র‍্যাঁবোর জন্মের শতবর্ষে লোকনাথ ভট্টাচার্যের অনুবাদে ‘নরকে এক ঋতু’ প্রকাশিত হয়েছিল। র‍্যাঁবোর সম্পূর্ণ গ্রন্থের অনুবাদ বাংলায় সেই প্রথম। এই বইটির সশ্রদ্ধ উল্লেখ বারেবারেই পাই গৌতম গুহ রায়ের লেখায়। কবিতার ইতিহাসের সঙ্গে অনুবাদের পরম্পরাকে একবার দেখে নিতে পারলে লাভ হয় বইকি যাহোক, লোকনাথ ভট্টাচার্য লিখেছিলেন তাঁর অনূদিত বই-এর ভূমিকায়- “ কে এই র‍্যাঁবো? এক কথায় এ- প্রশ্নের উত্তর দিতে বিদগ্ধ ফরাসীরাই বিপন্ন বোধ করবেন, আমি তো কোন ছার! তাঁকে কেউ বা বলবেন দানব, কেউ বা বলবেন দেবদূত, কেউ বা সকল গলা ছাপিয়ে নিজের গলাটিকে শুনিয়ে বলবেন—দানবও নন, দেবদূতও নন, মর- জগতের একজন মানুষ মাত্র। ” র‍্যাঁবোকে বুঝতে হলে ফরাসি সিম্বলিস্ট কাব্য, ভেরলেনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বকে জানতে হবে বলে জানিয়েছিলেন লোকনাথ ভট্টাচার্য ‘নরকে এক ঋতু’ বইটি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। বুদ্ধদেব বসুর কবিতার ওপর র‍্যাঁবোর প্রভাব নিয়ে অনেক সমালোচক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বাংলা কবিতায় র‍্যাঁবোর প্রভাব দুর্লক্ষ্য নয়। আমাদের মনে পড়তে পারে কবি অরুণেশ ঘোষের কথা। এবারে ফিরি কবিতায়।

‘নরকে এক ঋতু’ বইতে দেখি কবি বলছেন- “ বার করেছি স্বরবর্ণের রং—আ কৃষ্ণ, অ শ্বেত, ই রক্ত, ও নীল, উ সবুজ- নিরূপণ করেছি প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণের গতি-প্রকৃতি। আর সহজাত প্রেরণার ছন্দেই আজ আবার লালায়িত হয়েছি কাব্যিক এমন একটি সুগম ক্রিয়াপদ আবিষ্কার করতে যা একদিন-না-একদিন প্রযোজ্য হ’তে পারবে সমস্ত অর্থে। এই আমি অনুবাদের সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক’রে রাখলাম।’’ এই কথাগুলির সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারি আমাদের আলোচ্য বই-এ গৌতম গুহ রায়ের অনুবাদে ‘স্বরবর্ণ’ কবিতাটি- “ স্বরবর্ণগুলো যেমন--/ এ- কালো, আই-লাল, ও-নীল, সবুজ-ইউ-সাদা-ই/ তোমাদের শব্দ উৎসের গোপন ঝর্নার খোঁজ ফাঁস করে দেবো এবার:’’, আবার শব্দের রসায়ন আমাদের টেনে নিয়ে যায় ‘ অভিসার’ –এ, যেখানে কবি লিখছেন- “ সেই সন্ধ্যায়—দারুণ বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে আবার দেখা খালাসিটোলায়/ নেশার টানে, ভাঙন বুকে এক ফাঁকেতে তাড়ির গ্লাসে সফেন চুমু/ হারিয়ে যাও সেই কিশোরের রুদ্ধবাক্‌ স্মৃতির ফাঁকে/ সবুজ ঘাসে, বাতাবিলেবুর গন্ধমাখা সন্ধ্যারাতে”। এই কবিতাগুলির সঙ্গেই গ্রথিত হয়েছে মূল ফরাসি কবিতা অনুবাদক ‘খালাসিটোলা’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বাঙালির কবিতাযাপনের এক সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরলেন যেহেতু আমি নিজে ফরাসি জানি না, অনুবাদ কতটা মূলানুগ হয়েছে আমার পক্ষে বলা  সম্ভব নয়। তবে ফরাসি থেকে বাংলায় রূপান্তরিত হবার পর পাঠক কবিতাগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সমর্থ হবেন নিঃসন্দেহে, এটুকু সবিনয়ে জানাতে পারি কবিতা পড়তে পড়তে কল্পজগৎ ও বাস্তবের সীমারেখা হারিয়ে যেতে থাকে। ‘শীতের স্বপ্ন’ কবিতার মত পাগল পোকাটিকে খোঁজার পালা শুরু হয় ‘দিনরাত যেটা আমাদের ঘিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’’

সংকেতবাদী কবিতার ক্ষেত্রে স্বপ্ন এক বিশেষ বিষয়। চেতনার বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে যে পবিত্রতাকে র‍্যাঁবো খুঁজে পেতে চেয়েছিলেন সেখানে কালের ভূমিকা অপরিসীম। মানুষের ইচ্ছা অনিচ্ছা থেকে মুক্ত হয়ে সোজা উঠে দাঁড়াবার প্রত্যয়ে তিনি তাই বলেন- “ আবারও পেয়ে গেছি সেই/ কালচক্র/ সূর্য ও সমুদ্র,/ এ যেন যুগলের গোপন অভিসার।’’ (কালচক্র) সমাজের প্রচলিত বিধির সঙ্গে মানিয়ে না নেওয়া এবং বিদ্রোহের মধ্যে দুঃখকে বরণ করে নেবার যে মানসিকতা আধুনিকতার অভিজ্ঞান, র‍্যাঁবোর জীবন যেন তারই সাধনা। আদ্যন্ত আধুনিক হতে চেয়েছিলেন তিনি। জাদুকরের সোনার কাঠির মত যিনি ছুঁতে চেয়েছিলেন পরম সংবেদনকে, তাঁকে অনুভব করা এক জীবনের কাজ নয়। ভাষাগত দূরত্ব পেরিয়ে র‍্যাঁবোর ভাবনাভুবনের সঙ্গে অনেকটা পরিচয় সম্ভব হল গৌতম গুহ রায়ের সৌজন্যে, এজন্য তিনি ধন্যবাদার্হ কবি ও কাব্যকৃতিকে বোঝার সহায়ক হয়েছে তাঁর কবিতা নির্বাচন

  তোমার উদ্দেশ্যে এই নাও জীবনের অভিশপ্ত পৃষ্ঠাগুলোর থেকে

  কয়েকটি পৃষ্ঠা ছিঁড়ে দিচ্ছি,

  হাত পাতো, নাও ’’- ( নরকে এক ঋতু)

সুন্দরকে নমস্কার করতে শিখিয়েছিলেন যিনি তাঁর কবিতার অনুবাদ সুন্দর না হয়ে পারে!

                                                …

র‍্যাঁবো উন্মাদ সৌরকণা

গৌতম গুহ রায়

প্রচ্ছদ- সঞ্জীব চৌধুরী

উত্তর শিলালিপি, আলিপুরদুয়ার

মূল্য- ১০০টাকা